রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি সবাই নীতিগতভাবে একমত বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। রোববার গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে সবাই নীতিগতভাবে একমত। সংবিধান পুনর্লিখন, রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গত ৩ নির্বাচন বাতিল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক বলেন, ‘বিদ্যমান সংবিধানের যিনি রাষ্ট্রপতি, তার অপসারণ। তৃতীয়ত যে বিষয়টি নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে সেটি হচ্ছে, বিগত যে তিনটি নির্বাচন হয়েছে, অপ্রয়োজনীয় যে নির্বাচন। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের যে নির্বাচন এই তিনটি নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা করা। এই তিনটি বিষয়েই গণ অধিকার পরিষদের সাথে আমাদের আলোচনা হয়েছে।’
জাতীয় সরকার গঠন করলে একের পর এক সংকট তৈরি হতো না বলে মন্তব্য করেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি জানান, সব দলের সাথে সংলাপ করে জাতীয় সরকার গঠনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানানো হবে।
আওয়ামী লীগ আমলে হওয়া তিনটি জাতীয় নির্বাচন অবৈধ ঘোষণার দাবিও জানায় গণঅধিকার পরিষদ।
এর আগে ১২ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। পরে হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, রাষ্ট্রপতির অপসারণ কোন প্রক্রিয়ায় হবে, তা নিয়েই আলোচনা চলছে স্নাতক করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সহিংসতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার জন্য তদন্ত চলছে। কোনো শিক্ষার্থী দোষী বলে প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণবিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কমেন্ট বক্স