ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশি সন্দেহে নারী ও শিশুদের বন্দুকের মুখে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে রাজ্যের মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর)।
রোববার (৭ জুন) সহ-সভাপতি রঞ্জিত শূর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এপিডিআর জানায়, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশি সন্দেহে বহু মানুষকে আটক করে জোরপূর্বক বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনায় বিশেষভাবে নারী ও শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এপিডিআরের অভিযোগ, সীমান্তে পাঠানো এসব মানুষকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) প্রবেশ করতে দিচ্ছে না, কারণ তাদের পরিচয় নিয়ে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ নেই। ফলে অনেকেই দুই দেশের মাঝখানের নো ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়ছেন।
সেখানে থাকা মানুষগুলো খাবার ও পানির অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে। গর্ভবতী নারী ও শিশুরাও এই পরিস্থিতিতে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিএসএফ তাদের দায়িত্ব অস্বীকার করছে এবং বিজিবিও তাদের বাংলাদেশি হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। ফলে সীমান্তের ওই এলাকায় মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
এপিডিআরের দাবি, ভারতের ‘ডিটেক্ট, ডিপোর্ট, ডিলিট’ নীতি অসাংবিধানিক এবং তা দেশটির সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের পরিপন্থি।
সংগঠনটির সহসভাপতি রঞ্জিত শূর বলেন, নো ম্যানস ল্যান্ডে আটকে থাকা সব মানুষকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে ফিরিয়ে নিতে হবে এবং বিতর্কিত পুশব্যাক নীতি বাতিলের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি তিনি বিষয়টি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
কমেন্ট বক্স