বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রী এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন - আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মারা এখনো আমাদের আশে পাশে পালিয়ে রয়েছে, পালিয়ে থাকা আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মারা সুযোগ পেলেই ছোবল মারবে এবং ছোবল মারার সুযোগ যে বিএনপি নেতা এনে দিবে তারা মোনাফেক। মোনাফেকদের উপর লানত। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ রক্ত দেখলে খুশি হয়, মানুষকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়। আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মারা বিএনপিতে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মা ও মোনাফেকদেরকে প্রতিহত করতে সকলকে সতর্ক থেকে ফাইট করতে হবে।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে নবনির্মিত উপজেলা অডিটোরিয়ামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ও বন্যায় মৃত্যুবরনকারীদের স্মরনে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন সিকদারের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম খোকনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবিকা আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সহধর্মিনী বেগম সুরাইয়া আক্তার চৌধুরী, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য মো. মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম ফরাজী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ ফিরোজ আলম গোলদার, সেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীন হাওলাদার, যুবদলের আহবায়ক মো. গাজী রাসেদ শামস্, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. রুবেল মৃধা,মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম খন্দকার, মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহীন চৌধুরী, পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. আনিসুর রহমান ও পটুয়াখালী জেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী অধ্যাপিকা লায়লা ইয়াসমিন প্রমূখ।
কমেন্ট বক্স